Maa Ke Haat Ka Khana When Maa Is a Service Provider

This was first written by Mita Basu on Facebook, in Bengali. It is a reaction to a recent TV commercial of Everest Garam Masala, featuring Amitabh Bacchan. I have translated the piece and also added my own perspectives, publishing here with Mita Basu’s permission.


Amitabh Bacchan is seen appearing in an Everest garam masala TV ad. Bacchan is a remarkable figure, when he appears on screen one really wants to listen, his voice, personality all captures your attention, fills your heart rather.

The ad was available on YouTube till few days back but the video is now taken off. I also see a few complaints on the Consumer Complaint Forum making requests to pull down the ad.

The TVC has two characters, Bacchan and his friend Mr. Sharma, both being male, both talk about a woman who is not given any name, dialogue, role etc. Basically no agency. She is referred to in relational term (mother). Her cooking skills are offered and judged as a service, as if mother is a service category that must come with great culinary skills.

Mr. Sharma tells his friend (Bacchan), “Sirjee ghar aiye aapko maa ke haat ka khana khilate hai (Come over, will feed you food cooked by mother).” He didn’t say, “Mother invited you.” “Mother wanted to feed you.” No, mother is a service provider here whose services are being offered by the son to impress his friend. Sadly, the service is bad and tasteless but complaining isn’t an option because she is a ‘mother’ (not woman or human) and people get ‘touchy’ when it comes to ‘mothers’. Not sure what is so funny in one being touchy about mothers. Sitting in a fancy drawing room judging someone’s mother’s cooking doesn’t seem to be a sign of very high culture. Not sure if Teji Bacchan would have appreciated it.

The ad continues, what this ‘maa ke haat ka khana’ ponders Bacchan. It is only spices that make food taste good. “Kuch Maao ko iski samajh hai kuch ko nahi hai (some mothers understand spices well, some don’t).” The woman here continues to be addressed as mother, not people, not cook. Finally, Bacchan says that, “To to be on safe side I always carry Everest masala whenever I go to Mr. Sharma’s house.”

Sounds like, “I always carry my own condom.” To be safe you know. Not sure how this works with food though. Can we sprinkle garam masala on any food and it becomes tasty? But that’s how the ad goes.

Original Piece in Bengali by Mita Basu

শ্রী অমিতাভবচ্চন সাহেব আজকাল এভারেস্ট মসলা কোম্পানির একটি বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন ।

ভাল লাগে, খুবই ভাল লাগে…ওই ভরাট উদাত্ত কন্ঠে যখন কিছু বলেন, চোখ আটকে যায়…যখন উনি তাঁর প্রজ্ঞাবাণ চেহেরা নিয়ে পর্দায় উপস্থিত হন, যে কোনো বিষয় একেবারে জিবন্ত মনে হয়…মন ছেয়ে যায়…মন সব মেনে নেয় ।

এভারেস্টের এই বিজ্ঞাপনে অমিতাভজী বলছেন, ওনার বন্ধু শর্মাজী বললেন ‘চলিয়ে আপকো মা কা হাত কা খানা খিলাতা হুঁ’ । এবার অমিতাভজী, দোস্তের ‘মায়ের’ হাতের রান্নার সম্বন্ধে অত্যন্ত তাচ্ছিল্ল ভরে বলছেন “ইতনা বেস্বোয়াদ খানা বনাতি উনকি মা…লেকিন আপকো ক্যায়া কঁহে, মাকে হাতকা খানাকো লেকর ইনসান থোরা টাচি হো জাতে হ্যায়”… ইত্যাদি ।

এই বিজ্ঞাপনটি দেখামাত্র আমার মাতৃ হ্রিদয়ে, কথাটা যেন কঁকিয়ে উঠলো । মা, যে কোনো অবস্থায় যেমন তেমন করেই যা খুসি রান্না করে দিক না কেন সন্তান ভুক্ত অবস্থায় তা পেয়ে এবং খেয়ে যে স্বাদ যে পরিতৃপ্তি পায় সেটা কোনো মসলা দিতে পারবে ?

হতে পারে সব মায়ের হাতের রান্না তেমন উল্লেখ করার মত কিছুই নয় কিন্তু এক্কেবারে ন্যাক্কার জনক বেস্বোয়াদ কেন হবে । হতে পারে নিজের মায়ের হাতের রান্না ভাল না, তা বলে একটা শিক্ষিত মানুষ সারা দুনিয়ার কাছে তাচ্ছিল্ল কী করে করতে পারেন ? মা হয়ে এব্যাপারে আমার খুব অপমান বোধ হয়েছে । না, নোবডি, এভাবে মায়ের হাতের রান্নাকে তাচ্ছিল্ল করার অধিকার কেউ রাখতে পারে না ।

অমিতাভজী বললেন “মা কো লেকে লোগ থোরা টাচি হো জাতে হ্যায়” । এতে ঠাট্টার কী আছে ? মা নিজের শরিরের রক্ত মাংস দিয়ে তোমাকে গড়ে তুলেছে , মার স্তন পান করে তুমি রোগের সঙ্গে লড়েছো, মার হাত ধরে তুমি পৃথিবি জয় করেছ ।

অমিতাভজী ‘মা’ কে একটা service provider ক্যাটাগরিতে ফেলে দিয়েছেন, যেন তিনি মহিলাদের দলে পরেন না । আর এটাই যেন সিদ্ধ, তিনি এমন কোনো জীব যাঁকে রান্নায় পারদর্শি হতেই হবে । আর তা ছাড়া পারদর্শিতার বিচারে বিভিন্ন মানুষের মতামত ভিন্নরকম থাকতেই পারে । Taste একটা subjectivity র ব্যাপার।

রাজকীয় সাজানো বিলাস বহুল কামরায় বসে , পা নাচিয়ে যখন এই কথাগুলো অমিতাভজী বলছেন তখন মনে হচ্ছিল আজ ওনার মা শুনলে ও আপত্তি করতেন । একটা নোংরা ছেলে নোংরা পোষাকো চৌপালে বসে কিছু বলছে, কেউ কেয়ার করবে না । অতটা এফেক্ট ও হবে না। আপত্তি, ওখানেই…কেন অমিতাভজী কেন?

উনি আরও বলছেন “ইস্লিয়ে ভাইয়া ম্যায় কোই রিস্ক নেহি লেতা হুঁ । জব ভি শর্মাজী বুলাতে হ্যাঁয় ম্যায় তো সাথ মে লেকে জাতা হুঁ…ইত্যাদি”। এভারেস্ট গরম মসালা না যেন উনি ঢালতলোয়ারের কথা বলছেন …নো রিস্ক ভাই।

আমিতাভজী আরো বলছেন “ইয়ে মাকা হাত কা খানা হোতা কিয়া হ্যায়”… ইত্যাদি । রান্না ব্যাপারটাই যেন একটা তুচ্ছ জিনিস । হতে পারে অভিনয়ের মতই এটা ও একটা পার্ট বলা মাত্র তবুও অমিতাভবচ্চন একটি নাম একটি ব্যাক্তিত্ব।

সুসন্তান কখনই মায়ের হাতের রান্না নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্ল করবে না আর অপরের মায়ের রান্না খেয়ে এমন ভাবে সর্বসমক্ষে কুৎসা গাইবে না । পছন্দ না হলে ওদের বাড়ি আর যাবে না বার বার খেতে ।

অমিতাভজী কিন্তু পকেটে গরম মসলার প্যাকেট নিয়ে বার বার শর্মাজীর বাড়িতে যাচ্ছেন ডিনারে বেস্বোয়াদ খানা খেতে।

Advertisements

Share your views

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s